নাঈমুর রহমানঃ
সোমবার (১১ অক্টোবর) ষষ্ঠী তিথিতে দেবীর আমন্ত্রণের মধ্য দিয়ে শুরু হয় শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। ১৫ অক্টোবর দশমি তিথিতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে শেষ হলো এবারের দুর্গোৎসব। সনাতন ধর্মের সবচেয়ে বড় উৎসব দূর্গাপূজা, অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে হিন্দুধর্মাবলম্বীরা তাদের দুর্গাপূজা উৎসব পালন করছেন। জীবননগর পৌর এলাকা সহ জীবননগর উপজেলার সবকটি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও পাড়ার ২২ টি মণ্ডপে/মন্দিরে আয়োজন এবারের দূর্গোৎসব। উল্লেখযোগ্য জীবননগর পৌর এলাকার শ্রী শ্রী সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির পূজা মণ্ডপ, দৌলতগঞ্জ, শ্রী শ্রী সার্বজনীন দূর্গা মন্দির, জীবননগর, আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের বাজদিয়া পূজা মণ্ডপ,নিশ্চিন্তপুর পূজা মণ্ডপ। সীমান্ত ইউনিয়নের শ্রী শ্রী সার্বজনীন কালী মণ্ডপ শাখারীয়া, বাকা ইউনিয়নের রায়পুর বাজার পাড়াপূজা মণ্ডপ/মন্দির,শ্রী শ্রী সার্বজনীন দূর্গা মণ্ডপ সুটিয়া,বকুন্ডিয়া পূজা মণ্ডপ/মন্দির,রায়পুর পূজা মণ্ডপ রায়পুর। উথলী ইউনিয়নের সিংনগর পূজা মণ্ডপ/মন্দির,শিয়ালমারী পূজা মণ্ডপ, সেনেরহুদা পূজা মণ্ডপ,দেহাটী পালপাড়া পুজা মণ্ডপ,মনোহরপুর আদিবাসী পুজা মণ্ডপ, মনোহরপুর পালপাড়া পূজা মণ্ডপ, দেহাটি রেজি: সার্বজনীন অন্নপূর্ণা পূজা । জীবননগর উপজেলার ২৩ টি পূজা মণ্ডবের ভিতরে এইবার প্রায় ২২ টি পূজা মণ্ডবেই হয়েছে শারদীয় এই দূর্গোৎসব। জীবননগর উপজেলা পূজা উৎযাপন কমিটির সভাপতি বিজয় হালদার বলেন,জীবননগর উপজেলায় খুবই শান্তিপূর্ণভাবে এইবারের পূজা উদযাপন সম্পন্ন হয়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের সকলে সম্প্রীতি ও বন্ধনে একত্রে মিলেমিশে আমরা পূজা উদযাপিত করলাম। দূর্গা পূজাকে কেন্দ্র করে পুলিশের নিরাপত্তার বিষয়ে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মারুফ হোসেন বলেন, অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে এইবারের দূর্গা পূজা সম্পন্ন হয়েছে।