ই-পেপার | শনিবার , ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
×
;

পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের কাজ শিগগিরই শুরু: রেলমন্ত্রী

রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, চলতি সপ্তাহে কিংবা চলতি মাসের শেষ সপ্তাহের মধ্যে পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ প্রকল্পের কাজ শুরু করার সম্ভাবনা রয়েছে। পদ্মা সেতু উদ্বোধনের আগে সেতুতে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগসহ বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম চলমান থাকায় রেল সংযোগ প্রকল্পের কাজের কোনো অনুমতি মেলেনি। এটি ছিল এ প্রকল্পের সবচেয়ে বড় বাধা। তবে শনিবার (আজ) সেতু কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, চলতি মাসে কিংবা এ সপ্তাহের মধ্যেই ব্রিজের ওপর কাজ করার অনুমতি পাওয়া যাবে।

মন্ত্রী গতকাল বেলা সাড়ে ১১টায় মুন্সীগঞ্জের মাওয়ায় পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

রেলমন্ত্রী বলেন, ঢাকা-ভাঙ্গা-যশোর রেল সংযোগ প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৬১ শতাংশ। ২০২৪ সালের ৩০ জুন প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত হবে। প্রকল্পটি সময়মতো বাস্তবায়ন করতে তিন ভাগে কাজগুলো করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। সে পরিকল্পনায় ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত একটি অংশ, মাওয়া থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত একটি অংশ এবং ভাঙ্গা থেকে যশোর পর্যন্ত আরেকটি অংশে ভাগ করে দেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত কাজ এগিয়েছে ৬৪ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ, মাওয়া থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত ৮০ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ, ভাঙ্গা থেকে যশোর পর্যন্ত ৯১ শতাংশ। পরিকল্পনা রয়েছে ২০২৩ সালের জুনে ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত রেললাইন পদ্মা সেতুর সঙ্গে যুক্ত করার।

এদিকে প্রেস ব্রিফিংয়ে পদ্মা বহুমুখী সেতু ও রেল সংযোগ প্রকল্পের কনস্ট্রাকশন সুপারভিশন কনসালট্যান্টের প্রধান সমন্বয়ক মেজর জেনারেল এফ এম জাহিদ হোসেন বলেন, পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ প্রকল্পের কাজ শুরু হলে ছয় মাস সময় লাগবে এটি সম্পন্ন হতে। এ সময় আমরা সার্বিক বিষয় মনিটর করব। ভাইব্রেশনে (সড়কপথে যান চলাচলে) কোনো প্রভাব পড়ে কিনা, এজন্য বিশেষজ্ঞ প্যানেল নিয়োগ করা হয়েছে। তারা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে। তবে সেতু কর্তৃপক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নকশা অনুযায়ী ভাইব্রেশনের কোনো প্রভাব থাকবে না। কিন্তু বিষয়টি আমরা পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে দেখব যে আসলে কোনো প্রভাব আছে কিনা বা রেল সংযোগ প্রকল্পের কাজ চলমান থাকাকালে কোনো বিঘ্ন ঘটবে কিনা।

সেতুতে রেলের কাজ চলার সময় সড়কপথে যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে কিনা, জানতে চাইলে এফ এম জাহিদ হোসেন বলেন, আপাতত এমন কোনো সম্ভাবনা নেই, তবে কতগুলো অপশন থাকতে পারে। যদি ভাইব্রেশন বেশি হয় তখন প্রয়োজন পড়লে গাড়ির গতিসীমা স্লো করা যেতে পারে। তবে বিষয়টি পরামর্শক দলের সঙ্গে কথা বলে নির্ধারণ করা হবে।

;