ই-পেপার | শুক্রবার , ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
×
;

ডুমুরিয়ায় করোনার চেয়েও ভয়াবহ হয়ে দাড়িয়েছে দ্রব্যমুল্যের উর্ধগতি

সেলিম আবেদ,খুলনা  সংবাদদাতা
করোনাভাইরাসের চেয়েও ভয়াবহ হয়ে দাঁড়িয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি। করোনাভাইরাস ঠেকানো সম্ভব হলেও নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধিতে রীতিমতো অসহায় এলাকাবাসী। বাজারের ওপর সরকারী কর্তৃপক্ষের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে বিভিন্ন অজুহাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়িয়ে সাধারণ মানুষকে বিপাকে ফেলছে দেখারও যেন কেও নেই। একবার যে পণ্যের দাম বাড়ে, তা আর কমে না। সরকারি বিভিন্ন সংস্থা এ ব্যাপারে কাজ করলেও তা তেমন কার্যকর ভূমিকা না রাখায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আসছে না। কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) নামে একটি সংস্থা রয়েছে; কিন্তু তাদের কার্যক্রমও তেমন লক্ষণীয় নয়। ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণের জন্য এটি প্রতিষ্ঠিত হলেও বাস্তবে তারা ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণ কতটুকু করছেন তা সর্বসাধারণের বিচার্য। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়তে থাকায় আয়ের সাথে ব্যয় মিলাতে না পেরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এখন কম দামে পণ্য পেতে টিসিবির লাইনে দাঁড়াচ্ছে। খুলনা জেলার প্রতিটি উপজেলায় এখন ট্রাকে করে টিসিবির পণ্য বিক্রি হচ্ছে। একজন ক্রেতা সয়াবিন তেল দুই লিটার, চিনি ও মসুর ডাল দুই কেজি এবং পেঁয়াজ সর্বনিম্ন দুই কেজি থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ কেজি কিনতে পারেন। লাইনে দাঁড়িয়েও শেষ পর্যন্ত সবাই পণ্য পান না। দুই-তিন ঘণ্টা দাঁড়ানোর পরও কেউ কেউ ফিরে যান খালি হাতে। কারণ পণ্য সীমিত। একশ্রেণির সুবিধাবাদী ব্যবসায়ী ইচ্ছেমতো পণ্যের দাম বৃদ্ধি করছে। এতে সাধারণ মানুষের জীবনধারণ কষ্টকর হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায় রাখতে না পারলে দরিদ্র মানুষের জীবন আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠবে। সব মিলিয়ে প্রতিটি পন্যের গায়ে হাত লাগানো দায় হয়ে পড়েছে। ডুমুরিয়া উপজেলার একাধিক অভিজ্ঞ ও সচেতন মহলের সাথে কথা বলে জানা যায়, ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় নিত্যপণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সরকারকে আমদানি, পাইকারি ও খুচরা উভয় পর্যায়ে বাজার তদারকি বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে এমনই অভিমত করেন তারা।
তাং ১৯/৩/২৩

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত রিপোর্ট
;