ই-পেপার | শুক্রবার , ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
×
;

কালিয়ায় চায়ের দোকানে প্রতিনিয়ত বসছে জুয়ার আসর, দেখার কেউ নেই

খুলনা প্রতিনিধি
কালিয়া উপজেলা সদরে প্রশাসনের নাকের ডোগায় চায়ের দোকানে লুডু, তাস ও ক্যারাম খেলার নামে চলছে জুয়া। সদর বাজারে লুডু, তাস ও ক্যারাম খেলার অন্তরালে চলছে প্রকাশ্য জুয়া খেলা। গোপন তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, কালিয়া উপজেলা সদর বাজারে সকাল হলেই শুরু হয় চায়ের দোকানে লুডু,তাস,ক্যারাম খেলা। এই লুডু,তাস খেলার অন্তরালে চলে জুয়া। প্রতিবার খেলায় নির্দিষ্ট পরিমান টাকা ধার্য থাকে যারা বিজয়ী হয় তারা সেই টাকা পায়। জানা যায়, অধিকাংশ দিনমজুর সারাদিন হাড় ভাঙ্গা খাটুনির পর ২/৩ শত টাকা মজুরি পায় তার অধিকাংশই লুডু,তাস, ক্যারাম খেলে নষ্ট করে এবং বাড়িতে গিয়ে পরিবারের প্রয়োজনীয় চাহিদা মিটাতে ব্যর্থ হয় ফলে পারিবারিক অশান্তি বেড়েই চলে এদিকে স্কুল কলেজ ছুটির পর ছাত্র সমাজ তাদের পড়া লেখা বাদ দিয়ে আড্ডায় জড়িয়ে পড়ে যুব সমাজকে রাত ১২ টা থেকে ১ টা প্রযন্ত চায়ের দোকানে দেখা যায়, দেখার যেন কেউ নেই। এছাড়া আরো ভয়াবহ আকারে ক্যারামবোর্ডে বাজি খেলা, প্রতি গেইম ১০/২০ টাকা করে ক্যারাম মালিককে দিতে হয়। বাজারের অধিকাংশ চায়ের দোকানে বাজি ধরা এবং জুয়া খেলা হয়ে থাকে।এভাবে শিক্ষার্থীরা নেশাগ্রস্থ হয়ে পড়ছে।তাদের ক্যারাম খেলা এবং নেশার টাকা যোগাড় করতে পিতামাতাকে চাপ দেয় এমনকি অশোভন আচরণ করতে তারা দ্বিধাবোধ করেনা।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কালিয়া বাজারে প্রায় প্রতিটি চায়ের দোকানে চলছে নিয়মিত লুডু খেলা,তাস খেলা ও ক্যারামবোর্ড খেলার নামে জুয়ার আসর। গভীর রাত পর্যন্ত চলে এসব খেলা। যদি এসব খেলা বন্ধ না করা হয় তাহলে আগামী প্রজন্ম নেশাগ্রস্থ বেপরোয়া ও নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে পড়বে বলে সচেতন মহল মনে করেন। নাম বলতে অনিচ্ছুক বাজার ও এলাকার কয়েকজন সচেতন অবিভাবক ও বাজার ব্যাবসায়ীগণ বলেন, পুলিশ প্রশাসনের এখনই যদি কার্যকরি ব্যবস্থা না নেয় তাহলে চুরি ডাকাতির সংখ্যা আরো বেড়ে যাবে এবং ছাত্র,যুব সমাজ আরো ধংস হবে। সচেতন মহল এর থেকে পরিত্রান পাওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

;