ই-পেপার | শুক্রবার , ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
×
;

ট্রাম্পকে সমর্থন দেয়া নিয়ে বিভক্ত ফক্স নিউজ

জয়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছেন ডেমোক্রেট প্রার্থী জো বাইডেন। যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাইডেনের এই দারুণ সম্ভাবনায় ফাটল ধরেছে ফক্স নিউজ চ্যানেলে। প্রথম থেকেই প্রভাবশালী গণমাধ্যমটি প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকদের পছন্দের ছিল। তবে এ নির্বাচনে দেখা গেছে, ট্রাম্পের প্রচারণা শিবির থেকে ব্যাপক চাপ থাকা সত্ত্বেও ফক্স নিজের মতো করেই নির্বাচনের চিত্র তুলে ধরেছে। অ্যারিজোনাতে চ্যানেলটি বাইডেনকে এগিয়ে রেখেছে। ফক্সের নীতিনির্ধারক টিম বাইডেনের ২৬৪ ইলেক্টোরাল ভোট জয়ের চিত্র তুলে ধরেছে। তারা যদি সামনে জর্জিয়া, পেনসিলভ্যানিয়া, নেভাদা কিংবা নর্থ ক্যারোলিনার যেকোনো একটাতেই ডেমোক্রেটদের জয় প্রচার করে তাতেই বাইডেনের প্রেসিডেন্ট হওয়া নিশ্চিত হয়ে যাবে।

সমপ্রতি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ আনেন। এ নিয়ে ফক্সের অ্যাঙ্কর ব্রেট ব্যারিয়ার বলেন, আমরা অনেক ফ্যাক্ট চেক করেও ট্রাম্পের অভিযোগের কোনো প্রমাণ পাইনি।ট্রাম্পের ওই দিনের বক্তব্য পুরোটাই প্রচার করে ফক্স এবং সিএনএন। গণমাধ্যমগুলোর অ্যাঙ্করদের দেখা যায় ট্রাম্পের ওই বক্তব্যের সমালোচনা করতে। সিবিএস, এবিসি, এনবিসি ও এমএসএনবিসি বক্তব্যের মাঝ থেকেই সমপ্রচার বন্ধ করে দেয়। তারা অভিযোগ তোলে যে, প্রেসিডেন্ট ভুল তথ্য দিচ্ছেন। ফক্সের অ্যাঙ্কর ব্রায়ান কিলমেডও এ কথা বলেছেন। দ্য নিউ ইয়র্ক পোস্ট-এর মালিক রুপার্ট মারডক। তিনি ট্রাম্পের মিত্র এবং প্রচারণায় তিনি ট্রাম্পকেই সমর্থন দিয়ে গেছেন। কিন্তু নিউ ইউর্ক পোস্টেও ট্রাম্পের ওই বক্তব্য নিয়ে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভিত্তিহীনভাবে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনেছেন।
তবে শুক্রবার নিউ ইয়র্ক পোস্টের হেডলাইনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে দেখা গেছে। এতে বলা হয়েছে, এখনো কোনো জয়ী পাওয়া যায়নি। একইসঙ্গে ট্রাম্পের প্রচারণা শিবির থেকে বলা হয়েছে যে, নির্বাচন এখনো শেষ হয়ে যায়নি। এই খবরও ফলাও করে প্রচার করা হয়েছে। ফক্স নিউজের ক্ষেত্রেও দেখা গেছে, গণমাধ্যমটির সংবাদ ও মতামত সেকশন আলাদা আলাদা অবস্থান নিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, নির্বাচনের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের কারণেই এই বিভক্তির সৃষ্টি।

প্রবাহঅনলাইন ডেস্ক

;