জানা যায়, ছোটখাটো বিষয় নিয়ে মারুফা খাতুনের মা ও ভাবি তাকে বকাবকি করে। পরে সে তার মা ও ভাবির ওপর অভিমান করে সবার অজান্তে একা ঘরের মধ্যে অবস্থান করতে থাকে।দীর্ঘক্ষণ কোন সাড়া শব্দ পাওয়া না গেলে শুক্রবার বিকাল ৫ টায় পরিবারের লোকজন ঘরের দরজা ভেঙ্গে ভতরে ঢুকে তাকে সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে তাকে ঝুলতে দেখতে পায়।
পরে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে সে মারা যায় ।
খবর পেয়ে শুক্রবার রাতে দামুড়হুদা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো.মুন্না বিশ্বাস এবং জীবননগর থানার থানার ওসি (তদন্ত) স্বপন কুমার সাহা নিহতের বাড়িতে উপস্থিত হন।
পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় শুক্রবার রাতে লাশ দাফন করা হয়।