ই-পেপার | শুক্রবার , ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
×
;

কুষ্টিয়া সদর হাসপাতাল থেকে শিশু চুরি করতে গিয়ে এক নারী আটক

কুষ্টিয়া সদর হাসপাতাল থেকে শিশু চুরি করতে গেলে লিমা খাতুন (৩০) নামের এক নারীকে আটক করা হয়েছে।

শুক্রবার ( ২৮ অক্টোবর) রাতে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে শিশু চুরি করতে গেলে হাতেনাতে ধরা পড়ে ওই নারী। তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে রোগীর স্বজন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

এছাড়াও কয়েকদিন আগে কুষ্টিয়ারখোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কয়েকজন রোগী ও স্বজনদের মোবাইল ফোন চুরি করেও ধরা পড়েছিল ওই নারী।

আটক লিমা খাতুনমাদারীপুর সদর উপজেলার মহিষের চর গ্রামের ফরিদ আলীর স্ত্রী।

রোগীর স্বজন ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, লিমা খাতুন নামের ওই মহিলাটি সন্ধ্যা থেকেই হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে সন্দেহজনক ভাবে ঘুরাঘুরি করছিল।

এক পর্যায়ে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে গিয়ে শিশু চুরির চেষ্টা করে। এ সময় রোগীদের স্বজনরা অভিযুক্ত লিমাকে হাতে নাতে আটক করে। পরে বিষয়টি কুষ্টিয়া মডেল থানায় জানালে ঘটনা স্থলে পুলিশ এসে লিমাকে আটক করে এক ঘন্টা হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়িতে রেখে দেয় কুষ্টিয়া সদর মডেল থানার এসআই আসাদ। এস,আই আসাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে শিশু চুরির সাথে জড়িত এক জনকে ছেড়ে দেওয়ার। এস, আই আসাদ মহিলা কনস্টেবল বাদে একজন মহিলাকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। এসময় পুলিশের সামনেই লিমা খাতুনকে মারপিট করে রোগীর স্বজনরা।

রোগীর স্বজনরা বলেন, লিমার ব্যাগে বিভিন্ন ঔষধ, সিরিঞ্জ, চিনি, বাচ্চাদের কাপড়চোপড় পাওয়া গেছে। সে শিশু চোর। আমরা তাকে হাতেনাতে ধরে পুলিশে দিয়েছি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কর্তব্যরতনার্সরা বলেন, শিশু চুরি করতে এসে এক নারী ধরা পড়েছে। রোগীর স্বজনরা তাকে ধরে পুলিশে দিয়েছে।

এবিষয়ে কথা বলার জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আশরাফুল আলমের মুঠো ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি রিসিভ করেন নি।

এবিষয়ে খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. কামরুজ্জামান বলেন, লিমা নামের ওই নারী কয়েকদিন আগে খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালের বেশ কয়েকজন রোগী ও তাদের স্বজনদের মোবাইল চুরি করে ধরা পড়েছিল।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন খান যায়যায়দিকে বলেন, লিমা নামের ওই নারীকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ওসি দেলোয়ার হোসেন খানকে প্রশ্ন করা হয়, একজন মহিলা আসামীকে রাতে মহিলা কনস্টেবল ব্যতীত থানায় নেওয়ার সুযোগ আছে কিনা উত্তর এ তিনি জানান আমার থানায় মহিলা কনস্টেবলের সংকট এজন্য ইমহিলা কনস্টেবল দিয়ে আসামি নেওয়া সম্ভব হয়নি। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত রিপোর্ট
;