রেজাউল করিম লিটনঃ
দেশে খাদ্য সংকট হবেনা, কেন দূর্ভিক্ষও আসবেনা। সুজলা-সুফলা শস্য-শ্যামলা বাংলাদেশে কৃষি এখন সমৃদ্ধ। মাঠে মাঠে সোনালী ধানে এবার ভরে গেছে। কৃষকরা আমন ধান কাটা শুরু করেছে। এ দেশের কৃষকরা এখন ধান-ভুট্টার পাশপাশি বিদেশী ফল আনার, ড্রাগন চাষ করছে। অনেক তরুন কৃষক এগিয়ে এসেছে।
মঙ্গলবার ( ১৫ নভেম্বর) চুয়াডাঙ্গায় উদ্ভাবনী কৃষি পরিদর্শনে এসে এসব কথা বলেন কৃষি মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।
মন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমান কৃষি বান্ধব সরকার ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষি ও কৃষকদের জন্য কাজ সব সময় কাজ করে যাচ্ছে। সারের দাম বাড়ানো হয়নি, হবে না। সারে ভর্তুকি দেয়া হচ্ছে। কৃষকরা যাতে সময়মতো সার পায় তারও ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রনোদনায় নগদ অর্থ ও সার- বীজ দেয়া হচ্ছে।
মঙ্গলবার সকালে মন্ত্রী যশোর বিমানবন্দর থেকে সড়ক পথে এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম খামার দত্তনগওে আসেন। এ খামার পরিদর্শন শেষে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার তরুন কৃষি উদ্যোক্তা জাহিদের মাল্টা বাগান, মোকাররমের আনার বাগান পরিদর্শন করেন। পরে দামুড়হুদা উপজেলার হৈবতপুরে পাঁচ মুক্তিযোদ্ধার সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং মুক্তিযোদ্ধা স্মুতিশালা উদ্বোধন করেন।
এ সময় এখানে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত জনসভায় ভাষন দেন। এরপর সদও উপজেলার সরোজগঞ্জে জনতা কৃষি ইঞ্জিনিয়ারি কারাখানা পরিদর্শন করেন। বিকেলে দামুড়হুদা ইব্রাহিমপুরে মেহেরুন্নেসা শিশু পার্কে আয়োজিত কৃষক সমাবেশ ও নবান্ন উৎসবে অংশ নেন।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা ২ আসনের এমপি আলী আজগার টগর, কুষি মন্ত্রণালয়ের সচিক মোঃ সায়েদুল ইসলাম, সাবেক ডিজি কৃষিবীদ হামিদুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান মনজু, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান, পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ্ আল মামুন, জেলা আওয়ামীলীগের সেক্রেটারি আজাদুল ইসলাম, দামুড়হুদা ইউএনও সানজিদা বেগম, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলী মুনসুর বাবু, কৃষি সম্প্রসার অধিদপ্তর চুয়াডাঙ্গা ডিডি বিভাস চদ্র সাহা, সুগারক্রপ গবেষনার ডিডি ড. জামাল উদ্দীন, বাংলাদেশ আলু রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি ড.আবদুল কাদের, পারকৃষ্ণপুর-মদনা ইউপি চেয়ারম্যান জাকারিয়া আলম প্রমুখ।