এম,সেলিম আবেদ,খুলনা জেলা সংবাদদাতা।
খুলনার ডুমুরিয়ায় সরকারী বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিক গুলোতে চিকিৎসকদের সাথে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের সাক্ষাৎ করার সময়, দিনক্ষন ঠিক থাকলেও সেই নিদের্শ মানা হচ্ছেনা বলে অভিযোগ রয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, ডুমুরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, রাবেয়া ক্লিনিক, আয়েশা ক্লিনিক, ফাতেমা ক্লিনিক সহ বিভিন্ন ডাঃ চেম্বরের সামনে সর্বত্র দেখা যায় প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চোখে পড়ে ওষুধ কোম্পানি প্রতিনিধিদের দৌরাত্ম্য। চিকিৎসকের রুম থেকে রোগী বের হলে ব্যবস্থাপত্রের ছবি তুলছেন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা। এমনকি চিকিৎসকের পাশের চেয়ারে বসে আছে এসব ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা। আর চাকুরীর মূল কার্যক্রম হলো রোগীর ব্যবস্থাপত্রের ছবি প্রতিদিনের টা প্রতিদিন ছবি পাঠিয়ে দিতে হয় ওষুধ কোম্পানির সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কছে। তাছাড়া এসব প্রতিনিধিরা সকলে কম বেশি উচ্চ শিক্ষিত যুবক । এবিষয়ে কথা হয় ডুমুরিয়া সদর হাসপাতালের রোগী কাশেম আলির সাথে তিনি বলেন, চিকিৎসকদের রুম থেকে বের হতেই একজন ভদ্রলোক এসে আমার কাছে প্রেসক্রিপশনটি দেখতে চায়। আমি প্রেসক্রিপশনটি দিতেই তিনি ছবি তোলা শুরু করেন। এর পর দেখি অন্য আরো কয়েকজন যুবক এসে একই ভাবে ছবি তুলছে। আমি এর কারণ জানতে চাইলে বলে চাচা এমনি প্রয়োজন ছিল তাই ছবি তুলছি। শুধু আমি একা না এভাবে যত রোগী বের হছে তারা একই কাজ করছে। এবিষয়ে নাম প্রকাশ না করবার শর্তে একটি ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি বলেন, ভাই ছবি তুলছি যে আমাদের কোম্পানির ওষুধ চিকিৎসক (ডাঃ) রোগীদের লিখছে কি লিখছেনা। মূলতঃ আমরা প্রতিমাসে চিৎিসকদের একটি সম্মানি দিয়ে থাকি এই চুক্তিতে যেন আমাদের ওষুধ রোগীদের লিখে। আবার এই ছবি তারিখ ও সময় অনুযায়ী প্রতিদিন আমরা আরএসএম স্যারের কাছে পাঠিয়ে দেই। এছাড়া এই চাকরির গ্যারান্টি এক মিনিটও নেই। প্রতি মাসে সেলস্ টার্গেট বাড়ছে, টার্গেট পূরণ না হলে স্যালারি আটকে দেয়া অথবা কম স্যালারি দেয়াসহ বিভিন্ন ভাবে চাপ প্রয়োগ করে কোম্পানির উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ। কোন ছুটি নেই বললেই চলে শুক্রবার বেশিরভাগ ডাক্তারের চেম্বার বন্ধ থাকলেও আমাদের কাজ কোন বন্ধ নেই। এমনকি ওষুধ লেখানোর জন্য ডাক্তারদের ব্যক্তিগত কাজ করতে হয় এমনকি মোটরসাইকেলে তাদের লিফ্টসহ বাড়ীতে বাজার দেয়া, সকালে নাস্তা দেয়া লাগে কি করব । এবিষয়ে কথা হয় ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জনৈক ডাক্তারের সাথে তিনি বলেন আমরা বার বার নিষেধ করার তারা তা মানছেনা।