ই-পেপার | শুক্রবার , ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
×
;

রাসায়নিক দিয়ে ৪/৫ ঘন্টায় পাকানো হচ্ছে কাচাঁ আম

 

সেলিম আবেদ,খুলনা সংবাদদাতা
খুলনার ডুমুরিয়ায় রাসায়নিক পদার্থ  দিয়ে পাকানো রংবে রঙ্গের  আমে বাজার সয়লাব হয়ে গেছে। এই রাসায়নিক আতঙ্কে অনেকেই আম কেনা থেকে বিরত। জ্যৈষ্ঠ মাস পেরিয়ে যাচ্ছে। সাধারণত এ সময় আম পাকে। তবে গাছপাকা আম বাজারে পাওয়া দুষ্কর। বর্তমান বাজারে যে আম পাওয়া যাচ্ছে তা হলো বিভিন্ন এলাকার। বিভিন্ন এলাকার  ফল ব্যবসায়ীরা আমের বাগান কেনে তারপর গাছ থেকে আম পেড়ে কাঁচা অবস্থায় ঝুড়িতে সাজিয়ে আম পাকানো ঔষুধ স্প্রেরে করে  বাজারে আসতে আসতে মাত্র ৫ ঘণ্টায় সম্পূর্ণ পেকে লাল হয়ে যায়। আর ব্যবসায়ীরা দোকানে সাজালে গাছপাঁকা আমের মতোই রঙ হয়ে ওঠে। খর্নিয়া বাজারে আম কিনতে আসা ক্রেতা আশুতোষ অধিকারী জানান, বাজারে প্রচুর আম উঠেছে। কিন্তু কিনতে ভয় লাগছে। বোঝার উপায় নেই কোনটা ফরমালিন দিয়ে পাকানো আর কোনটা গাছ পাকা।  উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে প্রচুর আম উঠেছে। নানা নামের আম বিক্রিও হচ্ছে চড়া দামে। তবে বোঝার উপায় নেই কোন আম গাছ পাকা। ফলে ক্রেতারা দেখেশুনে পরিচিতজনদের কাছ থেকে আম কেনার চেষ্টা করছে। নাম বলতে অনিচ্ছুক একজন ফল ব্যবসায়ী বলেন,
 বাজারে যেসব আম পাওয়া যাচ্ছে তা সঠিক  সময়ের আগেই বাজারে এসেছে আম চাষি বা ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত মুনাফা লাভের আশায় আমে কার্বাইড জাতীয় এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ স্প্রেসহ ধোঁয়া ব্যবহার করে আম পাকিয়ে বাজারজাত করছে, যা মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক নিখিল চন্দ্র জানান, বাজারে আসা আমে রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে আম, কলা সহ বিভিন্ন প্রকার ফল পাকানো হয়, যা মানব দেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। তাছাড়া পাকা আমে যথেষ্ট পরিমাণে ক্যারেটিন বা ভিটামিন-এ এবং খনিজ পদার্থ থাকে। যে কারণে আমের স্থান পৃথিবীর যেকোনো ফলের উপরে। তবে বর্তমানে আম পাকার আগে চাষিরা বেশি মুনাফার আশায় রাসায়নিক পদার্থ প্রয়োগ করছে এতে জনসাধারণের অনেক সময় ক্যান্সারের মত বড় বড় রোগে আক্রান্ত হতে পারে। স্থানীয় সচেতন মহল ও ইউপি চেয়ারম্যান শেখ দিদারুল হোসেন দিদার বলেন, যতদুর জানি এসব ফল খাওয়া মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর তাই আমরা চাই কর্তৃপক্ষের বিশেষ ভাবে দৃষ্টি রাখা অতিব জরুরী তানা হলে জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়বে।

 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত রিপোর্ট
;