এম আব্দুর রাজ্জাক, বগুড়া থেকে : বগুড়ায় আদালতে মামলা করতে এসে ফিরে গেছেন আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম (হিরো আলম)। আদালতে দেরি করে পৌঁছানোর কারণে মামলা করতে পারেননি তিনি। তবে রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন হিরো আলম। বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বগুড়া আদালত চত্বরে গণমাধ্যমকর্মীদের তিনি এ কথা বলেন। হিরো আলম বলেন, “২০১৮ সালে আমি কাহালু-নন্দীগ্রাম আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলাম। কেন্দ্র পরিদর্শন করতে গেলে আমার ওপরে সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশে হামলা হয়েছিল। আমাকে তারা হত্যার চেষ্টা করেছিলেন। ২০২৩ সালের উপ-নির্বাচনে আমি জয়ী হলেও জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, ইউএনওসহ অনেকে মিলে আমাকে হারিয়ে দেন। আমার সঙ্গে তারা ফলাফল নিয়ে কারচুপি করেছেন। কারণ জিতলে তাদের আমাকে ‘স্যার’ ডাকতে হবে। তারা বারবার মনোনয়ন বাতিল করেও আমাকে আর্থিকভাবে ক্ষতি করেছেন। এতে মোটামুটি দুই কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, ‘দেশ এখন স্বাধীন হয়েছে। আমরা মুক্তভাবে কথা বলতে পারছি। এখনো যদি মামলা করে সুষ্ঠু বিচার না পাই, তাহলে স্বাধীন হয়ে কী লাভ হলো? তাই আমি আশা করি, দেশ যেহেতু স্বাধীন হয়েছে আমি সুবিচার পাবো। আর আমি যদি সুবিচার পাই তাহলে যারা এর আগে বিচার পাননি, তারাও মামলা করতে সাহস পাবেন।’ মামলার খসরায় ৩৩ জনের নাম উল্লেখ করেছেন হিরো আলম। প্রথমেই রয়েছে সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নাম। এরপর রয়েছে বগুড়া-৪ আসনের সাবেক এমপি রেজাউল করিম তানসেন, নন্দীগ্রাম উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন রানা, বগুড়ার সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম, নন্দীগ্রামের সাবেক ইউএনও শিফা নুসরাত, নন্দীগ্রাম উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউল আশরাফ জিন্না। বাকি যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা নন্দীগ্রামের স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী।