সেলিম আবেদ, খুলনা প্রতিনিধি
খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের খর্নিয়া বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকার সড়কের ফুটপাত এখন ব্যবসায়ীদের দখলে। এতে রাস্তা বা ফুটপাত দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে পথচারীদের। এ ছাড়া সড়কের পাশে ও বাজারের মধ্যে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে নছিমন, করিমন ও মহেন্দ্র চলাচল করায় বিষয়টি জনভোগান্তিতে রূপ নিয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলা খর্নিয়া বাজারের ব্যস্ততম মহাসড়ক ও ফুটপাত দখল করে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন কিছু সুবিধাভোগী ব্যবসায়ী। এতে পথচারীদের পড়তে হচ্ছে চরম ভোগান্তিতে। বাজারের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের পাশ দিয়ে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ছাত্র ছাত্রীরা যাতায়াত করে ও ভূমি অফিসে সাধারণ জনসাধারণের কাজে যেতে হয় তাছাড়া কয়েকটি রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি ব্যাংক, বিমা অফিস, সদর ইউনিয়ন পরিষদে। অথচ বাজারের প্রত্যেকটি প্রবেশ মুখে ফুটপাত দখল করেছে অবৈধ দখলদাররা, বিষয়টি কর্তৃপক্ষ দেখেও না দেখার ভান করে চলে যায়। প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা লেগেই আছে অনেকের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। এ ছাড়া প্রভাবশালীদের দখলে রাখা যায়গা ও মার্কেটের সামনের ফুটপাতে কয়েকজন ফল, চায়ের দোকান, মাছ,মুরগী ব্যবসায়ীরা রমরমা ভাবে তাদের ব্যবসা করে যাচ্ছেন। যত্রতত্র ফলের কার্টনের খড়কুটো, মুরগীর বৃষ্টা ফেলে পরিবেশ নষ্ট করছে দিনের পরদিন এ অবস্থা চললেও বাজার কমিটি ও প্রশাসন ফুটপাত দখলমুক্ত করার কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। মুনজুর শেখ নামের এক পথচারী ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, ‘বাজারে প্রবেশের মুখে দুই পাশ ব্যবসায়ীরা ফুটপাত দখলে নিয়েছেন। তারা দিন দিন রাস্তার ওপরেই ঝুড়ি-ডালা রাখা শুরু করেছেন সাধারণ মানুষ দুরের কথা স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র ছাত্রীদের বিড়ম্বনা পোহাতে হচ্ছে। ইউপি সদস্য আবুল কাশেম বলেন, ‘দোকানের পসরা সাজিয়ে রাস্তা গলিতে পরিণত করেছে। এই রাস্তা দিয়ে হেটে যেতেও অনেক সময় লাগে এদের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষের যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ। ফুটপাত দখল করা কিছু ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,‘আমরা টাকা দিয়ে এখানে ব্যবসা করি।’ এ বিষয়ে উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ দিদারুল হোসেন দিদার বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে দ্রুত ফুটপাথ ব্যবসায়ীদের নিয়ে আলোচনা করবো এবং শীঘ্রই আলোচনা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।