ই-পেপার | শুক্রবার , ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
×
;

বগুড়ার সাতটি আসনে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ, কাল থেকে শুরু প্রচারণা!

এম আব্দুর রাজ্জাক, বগুড়া থেকে :

প্রতীক বরাদ্দের মধ্যদিয়ে ২২ জানুয়ারি থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার শুরু হবে। এরই ধারাবাহিকতায় বগুড়ার ৭টি সংসদীয় আসনে প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বগুড়া জেলা প্রশাসক ও রিটানিং কর্মকর্তা মোঃ তৌফিকুর রহমান প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দেন।

এদিন বগুড়া-৬ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ধানের শীষের প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোঃ তৌফিকুর রহমানের কাছে থেকে তারেক রহমানের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীক গ্রহণ করেন জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা। এই আসনে মোট ৫জন বৈধ প্রার্থী প্রতীক বরাদ্দ নিয়েছেন। বাকি প্রার্থীদের মধ্যে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) আব্দুল্লাহ আল ওয়াকি পেয়েছেন তারা প্রতীক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আবু নুমান মো. মামুনুর রশিদ হাতপাখা, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল দাঁড়িপাল্লা প্রতীক এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) মনোনীত প্রার্থী দিলরুবা নূরী মই প্রতীক বরাদ্দ পান।

বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি কাজী রফিকুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর মো. শাহাবুদ্দিন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক, বাংলাদেশ কংগ্রেসের আসাদুল হক ডাব, গণফোরামের জুলফিকার আলী উদীয়মান সূর্য, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর এবিএম মোস্তফা কামাল পাশা হাতপাখা প্রতীক পেয়েছেন।

বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে শেষ পর্যন্ত বিএনপি ও নাগরিক ঐক্য উভয় দলের প্রার্থীই লড়াইয়ে থাকছেন। নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না প্রতীক হিসেবে পেয়েছেন কেটলি। অন্যদিকে এই আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মীর শাহে আলম পেয়েছেন ধানের শীষ। এই আসনেই একমাত্র সতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম তালু পেয়েছেন সিড়ি প্রতীক। জামায়াতে ইসলামীর আবুল আজাদ মোহাম্মদ শাহাদুজ্জামান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মোঃ জামাল উদ্দিন হাতপাখা, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি’র) সেলিম সরকার ট্রাক ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ পেয়েছেন লাঙ্গল প্রতীক।

বগুড়া-৩ (আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছেন বিএনপির আব্দুল মহিত তালুকদার, জাতীয় পার্টির শাহিনুল ইসলাম লাঙ্গল, জামায়াতে ইসলামীর নূর মোহাম্মদ দাঁড়িপাল্লা ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শাহজাহান আলী তালুকদার হাতপাখা প্রতীক পেয়েছেন।

বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু) আসনে ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছেন বিএনপির সাবেক এমপি মোশারফ হোসেন, জামায়াতে ইসলামীর মোস্তফা ফয়সাল দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির শাহীন মোস্তফা কামাল লাঙ্গল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুহা. ইদ্রিস আলী হাতপাখা প্রতীক পেয়েছেন।

বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে ধানের শীষের প্রতীক পেয়েছেন বিএনপির গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, জামায়াতে ইসলামীর দবিবুর রহমান দাঁড়িপাল্লা, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির শিপন কুমার রবিদাস কাস্তে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মীর মো. মাহমুদুর রহমান হাতপাখা ও লিবারেল ডেমোক্রেটিভ পার্টি (এলডিপির) প্রার্থী খান কুদরত ই সাকলাইন ছাতা প্রতীক পেয়েছেন।

বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে বিএনপির মোরশেদ মিলটন পেয়েছেন ধানের শীষ প্রতীক। এই আসনে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ এর মোঃ আনছার আলী হারিকেন, জামায়াতে ইসলামীর গোলাম রব্বানী দাঁড়িপাল্লা এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোঃ শফিকুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীক পেয়েছেন।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ তৌফিকুর রহমান জানান, বগুড়ায় ৩ জন তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছেন। তাদের বাদ দিয়ে বগুড়ার সাতটি সংসদীয় আসনে মোট ৩৪ জন বৈধ প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এই তিন প্রার্থী হলেন-বগুড়া-১ আসনে শাহজাদী আলম লিপি, বগুড়া-৩ আসনে তৈাহিদুল আলম, বগুড়া-৪ আসনে কামরুল হাসান মোঃ শাহেদ ফেরদৌস।।
M. Abdur Razzak
M. Abdur Razzak

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত রিপোর্ট
;