বিয়ে করতে হলে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিতে হবে। বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে এরকম একটি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার এনজিও সংস্থা ওয়েভ ফাউন্ডেশন ও বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে কাজ করা জীবননগর উপজেলা লোকমোর্চার আয়োজনে ‘বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সকলের দাবির প্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, বাল্যবিয়ে দেয়ার কাজে সহযোগিতাকারী কাজী এবং ছেলে-মেয়ের অভিভাবকদেরকে আইনের আওতায় আনতে হবে।
জীবননগর উপজেলাকে বাল্যবিয়েমুক্ত করতে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত সকলেই দাবি তোলেন বিয়ের আগে বয়স প্রমাণের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছ থেকে প্রত্যয়নপত্র নিতে হবে। ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়নপত্র ছাড়া কোনো কাজী বিয়ে পড়ালে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
উপজেলার ৩৪ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার পরিচালনা পর্যদের সভাপতি এবং প্রধান শিক্ষক, লোকমোর্চার সদস্য, সাংবাদিক, সুধী বৃন্দসহ শতাধিক মানুষ মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।
জীবননগর উপজেলা লোকমোর্চার সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ অমলের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম মুনিম লিংকন, জীবননগর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আয়েশা সুলতানা লাকি, জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. মেহেদী আল মাসুম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শ্রী দিনেশ চন্দ্র, জীবননগর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মুন্সী মাহবুবর রহমান বাবু, সাংবাদিক সমিতির সভাপতি জিএ জাহিদুল ইসলাম, উথলী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্যদের সভাপতি সালাউদ্দীন কাজল, সেনেরহুদা জান্নাতুল খাদরা দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি আবু জাফর, সাংবাদিক কাজী সামসুর রহমান চঞ্চল, আকিমুল ইসলাম, আতিয়ার রহমান, উথলী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমান, শাহিনুর রহমান, ওয়েভ ফাউন্ডেশনের কামরুজ্জামান যুদ্ধ প্রমুখ।
মনিরুল ইসলাম