গত রাতে মেক্সিকো জরুরি ভিত্তিতে করোনাভাইরাস টীকার ব্যবহার অনুমোদন করেছে। এর ফলে মোট ছয়টি রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ নির্মাতা ফাইজার এবং জার্মানির বায়ো-এন-টেকের তৈরি টীকা ব্যবহার করছে কিংবা ব্যবহারের পরিকল্পনা করেছে। এর আগেই ব্রিটেন, বাহরাইন, কানাডা, সৌদি আরব এবং যুক্তরাষ্ট্র এই টীকা অনুমোদন করেছে। মেক্সিকোর সহকারী স্বাস্থ্য সচিব ও মহামারী বিশেষজ্ঞ হিউগো লোপেজ-গ্যাটেল এই টীকা অনুমোদনকে আশার কারণ বলে অভিহিত করেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার জানাচ্ছে, মেক্সিকো তিন কোটি চল্লিশ লক্ষ ডোজ টীকা পাবার জন্য ফাইজারের সঙ্গে চুক্তি করেছে। এর প্রথম চালানটি এ মাসের শেষ নাগাদ পৌঁছুবে বলে আশা করা হচ্ছে। জন্স হপকিন্স ইউনিভার্সটির হিসেব অনুযায়ী মেক্সিকোতে বারো লক্ষ লোক করোনাতে সংক্রমিত হয়েছে, যার মধ্য মারা গেছে এক লক্ষ তেরো হাজার মানুষ। গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন টীকাটি অনুমোদন করে। জন্স হপকন্স ইউনিভার্সিটির হিসেব অনুযায়ী এই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে কভিড ১৯ এ দু লক্ষ পঁচানব্বই হাজার লোক মারা গেছে। এই হিসেবে বলা হয়েছে যে, বিশ্বব্যাপী যে সাত কোটি দশ লক্ষ লোক কভিড ১৯ এ সংক্রমিত হয়েছে তার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে সংক্রমিতের সংখ্যা এক কোটি আটান্ন লক্ষ।
আমেরিকার সব চেয়ে জনবহুল রাজ্য ক্যালিফোর্নিয়ায় হাসপাতালগুলো সংক্রমিত রোগীদের ভিড়ে উপচে পড়ছে। এ সপ্তায় আরও আগের দিকে লস এঞ্জিলিস কাউন্টিতে প্রতিদিন সংক্রমিতের সংখ্যা ১২ হাজার ছাড়িয়ে যাচ্ছিল। এ দিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট গতকাল Emergency Medical Team (EMT) Initiative নামে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে যাতে করে এই মানবিক সংকটের সময়ে জরুরি ভিত্তিতে চিকিত্সা ও স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা যেতে পারে। এ দিকে ভারত আজই জানিয়েছে যে, গত ২৪ ঘন্টায় সেখানে নতুন করে তিরিশ হাজার লোক সংক্রমিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পর এখন ভারতেই সর্বাধিক সংখ্যক লোক করোনাভাইরাসে সংক্রমিত।
ভিওএবাংলা