ই-পেপার | শুক্রবার , ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
×
;

সিজারের সময় ভুঁড়ি বের হয়ে নবজাতকের মৃত্যু

প্রসূতির সিজার করতে গিয়ে নবজাতকের ভুঁড়ি বের করে দেওয়া হয়েছে। আলমডাঙ্গার ইউনাইটেড মেডিক্যাল সেন্টারে মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটেছে। প্রসূতি বেঁচে গেলেও সদ্য ভূমিষ্ঠ নবজাতক একদিন পর মারা গেছে। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়। আনাড়ি ডাক্তার দিয়ে সিজার করার কারণেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে রোগীর লোকজনের অভিযোগ।

জানা গেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলার মাজু গ্রামের সাগর আলীর স্ত্রী রুমা খাতুনের প্রসব বেদনা উঠলে তাকে গত শুক্রবার আলমডাঙ্গার ইউনাইটেড মেডিক্যাল সেন্টারে ভর্তি করা হয়। দুপুরে প্রসূতির সিজার করা হয়। রুমা খাতুনের স্বামী সাগর আলী বলেন, সিজার অপারেশন করার সময় নবজাতকের পেট কেটে নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে যায়। ওই অবস্থায় আমার সন্তানকে না দেখিয়ে গোপন কক্ষে ৩ ঘণ্টা রেখে দেয়। এর পর তার মায়ের কাছে দেওয়া হয়। ভূমিষ্ঠের পর নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে আসার কারণে সন্তানের অবস্থা ক্রমেই খারাপ হতে থাকে। রাতে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেয়। আমার সন্তানকে কোনোভাবেই বাঁচানো সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দেন সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক। পরে আমার সন্তানকে বাড়িতে ফেরত নিয়ে আসি। পরে শনিবার সন্ধ্যার দিকে তার মৃত্যু হয়। তিনি আরও জানান, আলমডাঙ্গার ইউনাইটেড মেডিক্যাল সেন্টারের মালিক নাজমুল হক নিজেই অপারেশন করেছিলেন। তবে শর্ত অনুযায়ী একজন বিশেষজ্ঞ সার্জনকে দিয়ে সিজার করানোর কথা ছিল। তারা এটা করলে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটত না।

এ ব্যাপারে ইউনাইটেড ক্লিনিকের মালিক উপসহকারী মেডিক্যাল অফিসার নাজমুল হক বলেন, প্রসূতির অপারেশন করেছেন ডা. বিপাশা। জন্মের সময় ত্রুটির কারণে শিশুর নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে আসে। এটা ডাক্তারের ত্রুটি নয়। এখানে কারও কিছু করার ছিল না। এ ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা. এসএম মারুফ হাসানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি এই মাত্র শুনলাম। তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রতিনিধি

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত রিপোর্ট
;