ই-পেপার | শুক্রবার , ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
×
;

এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতল টাইগাররা

সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে আফগানিস্তানকে ৮৮ রানে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ এক ম্যাচ হাতে রেখেই জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ (২-০)। লিটন দাসের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস (১৩৬) ও মুশফিকুর রহিমের হাফসেঞ্চুরিতে ভর করে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৩০৬ রানের বড় পুঁজি পায় বাংলাদেশ। জবাবে ৩০৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে সাকিব-তাসকিনদের বোলিং আক্রমণের সামনে ৪৫.১ ওভারে ২১৮ রানে গুটিয়ে যায় আফগানরা।

আজ চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশে অধিনায়ক তামিম ইকবাল।

ওপেনার লিটন দাস খেলেন ওয়ানডেতে ক্যারিয়ার সেরা ১২৬ বলে ১৩৬ রানের ঝকঝকে ইনিংস। ওডিআই ক্রিকেটে নিজের পঞ্চম সেঞ্চুরির ইনিংসে হাঁকিয়েছেন ১৬টি চার ও দুটি ছক্কা। মুশফিক করেছেন ৯৩ বলে ৮৬ রান। ওয়ানডেতে এটি তার ৪১তম হাফসেঞ্চুরি। এই ইনিংসের মাধ্যমে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়েছেন মুশফিক। মুশফিকের এখন ৬ হাজার ৬৭০ রান। সবার ওপরে থাকা তামিমের রান ৭ হাজার ৬৮৬। তিনে থাকা সাকিবের ৬ হাজার ৬৩০ রান।

ইনিংসের শুরুতে তামিম ইকবাল ২৪ বল খেলে ১২ রান করে আউট হন আফগান পেসার ফজলহক ফারুকির এলবিডব্লউর ফাঁদে। দুই ম্যাচেই ফারুকির শিকার তামিম। ৩৬ বলে মোকাবেলায় ব্যক্তিগত ২০ রানে সাকিব আল হাসান ফেরেন রশিদ খানের শিকার হয়ে। শেষ দিকে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৬ ও আফিফ হোসেন ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন। এ ম্যাচে আফগানদের অতিরিক্ত রান দেয়া ছিল চোখে পড়ার মতো। বাংলাদেশ ৩৩ রান পেয়েছে অতিরিক্ত। আফগান বোলারদের মধ্যে ফরিদ আহমেদ দু’টি উইকেট নেন।

৩০৭ রানের বিশাল লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই ওপেনার রিয়াজ হাসানের (১) উইকেট হারায় আফগানিস্তান। মিড উইকেট থেকে দারুণ এক থ্রোতে রিয়োজকে রান আউটের শিকার বানান আফিফ হোসেন। ৯ রানে প্রথম উইকেট হারানো আফগানরা ৩৪ রান তুলতে হারায় আরো দুই উইকেট। হাসমতউল্লাহ শাহিদিকে (৫) শরিফুল ইসলাম এবং আজমতউল্লাহ ওমারজাইকে (৯) ফেরান সাকিব। ওপেনার রহমত শাহ ও পাঁচে নামা নাজিউল্লাহ জাদরান এ ম্যাচেও প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ৮৯ রানের জুটি গড়েন দু’জনে। রহমাত শাহকে (৭১ বলে ৫২) বোল্ড করে তাসকিন আহমেদ ভাঙেন প্রতিরোধ। ওডিআইতে এটি তার ১৮তম হাফসেঞ্চুরি। এরপর নাজিবউল্লাহকেও (৬১ বলে ৫৪) ফেরান তাসকিন। গত ম্যাচে হাফসেঞ্চুরি পাওয়া নাজিবউল্লাহ এ ম্যাচে করলেন ক্যারিয়ারের ১৪তম হাফসেঞ্চুরি। এরপর আর কেউ বড় ইনিংস খেলতে পারেনি। মোহাম্মদ নবি ৩২ ও রশিদ খান করেন ২৯ রান।

আগামী সোমবার একই ভেন্যুতে সিরিজের শেষ ওয়ানডে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে।

;