সেলিম আবেদ, খুলনা প্রতিনিধি
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার পল্লীতে বেতাগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লাইব্রেরীসহ ৪টি কক্ষের সকল আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ৫লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। গতকাল সোমবার গভীর রাতে এঘটনা ঘটেছে বলে প্রধান শিক্ষিকা রজ্ঞিতা দাস নিশ্চিত করেছেন। তবে কি ভাবে আগুন লেগেছে তা এ মুহূর্তে সঠিক ভাবে বলা সম্ভব হচ্ছে না বলে তিনি জানান। স্থানীয় সংসদ সদস্য নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, ডুমুুরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এজাজ আহম্মেদ, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বিদ্যালয়টি গতকাল সোমবার পরিদর্শন করেছেন। এব্যাপরে প্রধান শিক্ষিকা ডুমুরিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন বলে সুত্র জানান ।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হুমায়ুন কবির জানান,ফজরের নামাজ পড়ার পর জানতে পারি বিদ্যালয় আগুন লেগেছে। বিষয়টি দ্রুত ডুমুরিয়া ফায়ার সার্ভিস অফিসে মোবাইল ফোনে জানাই। এছাড়া মসজিদের মাইক দিয়ে চারিদিকের লোকজনকে বিদ্যালয় আগুন নেভানোর জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই। বিষয়টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকা রঞ্জিতা দাসকেও ফোনে অবহিত করি। প্রধান শিক্ষিকা রজ্ঞিতা দাস জানান,সোমবার সকালে স্কুলেএসে দেখি আগুনে সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে । আগুন অফিস কক্ষ থেকে প্রথম সুত্রপাত বলে আমার মনে হয়েছে। এরপর পাশের তিনটি কক্ষে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে বলে মনে হয়। । অফিস কক্ষে থাকা ল্যাপটপ, প্রজেক্টর, চেয়ার, টেবিল,লোহার আলমারি সহ সকল আসবাবপত্র পুড়িয়ে ছাই হয়ে গেছে। কক্ষের দেয়ালের পলেস্তার খসে পড়েছে। বিদ্যালয়ের দপ্তরী কাম নৈশ প্রহরী আব্দুল আহাদ মোড়ল জানান, রাতে আমি বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের পাশের কক্ষে ঘুমিয়েছিলাম। ফজরের নামাজ পড়ার জন্য রাত সাড়ে ৪টার দিকে বাড়ীতে চলে যাই। এরপর মসজিদে নামাজ শেষে আগুন লাগার খবর পাই।
উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা সরদার শরিফুল ইসলাম জানান,ভোর ৫টার দিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। ততক্ষণে সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে । তবে বিদ্যালয়ের কক্ষগুলো তালা বদ্ধ ছিল।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাহাবিবুর রহমান বলেন,এ মুহূর্তে দেখে কিছু বলা সম্ভব না।সঠিক কারন জানার জন্য দ্রুত একটি তদন্ত কমিটি করা হচ্ছে ।