।
খুলনা প্রতিনিধি
খুলনার ডুমুরিয়ায় হাটবাজার গুলোতে অস্বাভাবিক দামে সবজি বিক্রি হচ্ছে। কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির ফলে শাক সবজির ফসলের ব্যাপক ক্ষতির কারণে বাজারে সবজির যোগান কমে গেছে। ফলে সবজির দাম খেটে-খাওয়া মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। এমনকি সরকারের বেধে দেওয়া দামে বিক্রি হচ্ছেনা আলুসহ পেয়াজ রসুনের।
সরেজমিনে দেখা যায়, ডুমুরিয়া উপজেলার সদর, বিশেষ করে খর্নিয়া বাজার, নতুন রাস্তা বাজার, কাঠালতলা বাজার, মাগুরখালি বাজার, চুকনগর বাজার, আঠারো মাইল বাজার শাহপুর, শরাফপুর বাজার সহ বিভিন্ন হাটবাজারে ঘুরে দেখা গেছে আলু ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অথচ কয়েকদিন আগেও ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। টমেটো ৮০/৯০ টাকা, বেগুন ৭৫/৮০ টাকা, করলা ১শ টাকা, কাঁকরোল ৮০ টাকা, পটল ৭০ টাকা, ফুলকপি ও বাঁধাকপি ১৫০/২০০ টাকা, মুলা প্রকার ভেদে ৬০/৭০ টাকা, সিম ১৫০ টাকা, রসুন ২০০, পেয়াজ প্রকার ভেদে ১৩০/১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। যা অন্যান্য বছরের এই সময়ের তুলনায় তিনগুন । খর্নিয়া বাজারের সবজি ব্যাবসায়ী মাহাতাব হোসেন জানান, গত কয়েকদিন বৃষ্টি হওয়ায় বেশিরভাগ সবজির জমিতে পানি জমে শাক সবজি নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে বাজারে শাক সবজির যোগান কমে গেছে। যোগান কম হওয়ার কারণে দাম বেড়ে গেছে। বাজার করতে আসা রওশোন মোড়ল জানান, সারাদিন রোদে পুড়ে কাজ করে ৪০০ টাকা পাই। সবজি কিনবো, নাকি চাল-ডাল কিনবো? বাজার করতে আসা চা দোকানদার আসাদুল মোড়ল বলেন, প্রতিদিন বেচা-কেনা করে ৩০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা আয় হয় চাল কিনবো নাকি বাজার করবো। ডুমুরিয়া উপজেলা উপ- কৃষি কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন জানান, বৃষ্টির কারণে সবজির জমির খুব বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ব্যাবসায়ীদের একটি সিন্ডিকেট বৃষ্টির অজুহাত দেখিয়ে সবজির দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এলাকার সচেতন মহল উর্ধাতন কর্তৃপক্ষের বাজার মনিটরিংয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।