ই-পেপার | শুক্রবার , ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
×
;

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে মাসিক ‘উদয়ন’ এবং আমাদের ম্যাক্সিম গোর্কি-আবিষ্কার সাংস্কৃতিক কূটনীতি ও গ্রামীণ বাংলাদেশের পাঠ-স্মৃতি

একটি সময় ছিল, যখন দূরের দেশকে জানার প্রধান জানালা ছিল বই, পত্রিকা ও সাময়িকী। আজকের মতো ইন্টারনেট ছিল না, ইউটিউব ছিল না, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ছিল না। পৃথিবীর অন্য প্রান্তে কী ঘটছে, কোন সমাজ কীভাবে গড়ে উঠছে, বিজ্ঞান, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মানুষের জীবনযাত্রা কোন পথে এগোচ্ছে—এসব জানার জন্য পাঠক অপেক্ষা করতেন মুদ্রিত পত্রিকার। ডাকঘর, লাইব্রেরি, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, বইয়ের দোকান কিংবা পরিচিত কোনো পাঠকের হাত ধরে পত্রিকা পৌঁছাত গ্রাম ও মফস্বলে। সেই অপেক্ষা ছিল ধীর, কিন্তু গভীর; তথ্য ছিল কম, কিন্তু পাঠ ছিল মনোযোগী।

বাংলাভাষী পাঠকের কাছে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে প্রকাশিত কয়েকটি সাময়িকী ছিল এক বিশেষ আকর্ষণের নাম। এর মধ্যে মাসিক ‘উদয়ন’ ছিল অন্যতম। ‘উদয়ন’ শুধু একটি ম্যাগাজিন ছিল না; এটি ছিল এক ধরনের সাংস্কৃতিক জানালা, যার মধ্য দিয়ে দূরের এক রাষ্ট্র, এক সমাজব্যবস্থা, এক সাহিত্যভুবন এবং এক স্বপ্নের পৃথিবীর সঙ্গে পরিচয় ঘটত। ‘উদয়ন’-এর পাশাপাশি বাংলায় অনূদিত বা বাংলাভাষী পাঠকের জন্য প্রকাশিত হতো ‘সোভিয়েত দেশ’, ‘সোভিয়েত নারী’, ‘সোভিয়েত ইউনিয়ন’ এবং পরবর্তীকালে ঢাকা থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক ‘সোভিয়েত রিভিউ’—বাংলাদেশ সংস্করণ। এগুলোর মাধ্যমে সোভিয়েত সমাজতন্ত্র, শিল্পায়ন, বিজ্ঞান, মহাকাশ গবেষণা, শিক্ষা, নারী-অগ্রগতি, সংস্কৃতি এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ইতিবাচক দিক তুলে ধরা হতো।

আজকের চোখে ফিরে তাকালে বোঝা যায়, এসব পত্রিকা ছিল একধরনের সাংস্কৃতিক কূটনীতির মাধ্যম। রাষ্ট্রের আদর্শ, রাজনৈতিক বার্তা এবং আন্তর্জাতিক বন্ধুত্বের ভাষা এগুলোর ভেতরে ছিল। কিন্তু এগুলোকে কেবল প্রচারপত্র হিসেবে দেখলে ভুল হবে। কারণ এই সাময়িকীগুলো বহু পাঠকের পাঠাভ্যাস, বিশ্বদৃষ্টি, সাহিত্যবোধ, বিজ্ঞানমনস্কতা এবং জ্ঞানচর্চায় গভীর প্রভাব ফেলেছিল। ভালো কাগজে ছাপা, রঙিন ছবি, পরিচ্ছন্ন মুদ্রণ, শিক্ষণীয় গল্প-নিবন্ধ, শিশু-কিশোর উপযোগী লেখা, শ্রমজীবী মানুষের জীবনকাহিনি—সব মিলিয়ে এগুলো পাঠকের কাছে ছিল আকর্ষণীয়, সমৃদ্ধ এবং ভিন্নধর্মী।

বাংলাদেশের মফস্বল ও গ্রামাঞ্চলে তখন আন্তর্জাতিক পত্রিকা বা বিশ্বসাহিত্যের বই সহজলভ্য ছিল না। এমন সময়ে সোভিয়েত সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বা দূতাবাসের মাধ্যমে এসব পত্রিকা অনেক পাঠকের হাতে পৌঁছাত। শহুরে পাঠকের পাশাপাশি গ্রামীণ পাঠকের কাছেও এগুলো পৌঁছানো ছিল গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সাংস্কৃতিক কূটনীতি তখন শুধু রাজধানীর অভিজাত পরিসরে সীমাবদ্ধ থাকেনি; তা ছড়িয়ে পড়েছিল পাঠকসমাজে, ছাত্র-যুবসমাজে, শিক্ষক-সাংস্কৃতিক কর্মীদের মধ্যে, এমনকি গ্রামবাংলার কৌতূহলী পাঠকের ঘরেও।

আমার সৌভাগ্য, আমি নিয়মিতভাবে সোভিয়েত সাংস্কৃতিক কেন্দ্র থেকে এসব ম্যাগাজিন পেতাম—আমার নিজ গ্রাম ফুলবাগিচায়। একটি গ্রামে বসে ‘উদয়ন’ বা ‘সোভিয়েত রিভিউ’ হাতে পাওয়া মানে ছিল যেন দূরদেশের দরজা খুলে যাওয়া। কাগজের গন্ধ, ছবির উজ্জ্বলতা, মুদ্রণের সৌন্দর্য, অনুবাদের ভাষা এবং বিষয়বস্তুর বৈচিত্র্য—সব মিলিয়ে তা ছিল এক ধরনের সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা। আজ বুঝতে পারি, সেটি ছিল গ্রামীণ বাংলাদেশে সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক যোগাযোগের এক অভিনব রূপ। বই বা ম্যাগাজিনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক মানুষের ব্যক্তিগত পাঠ-অভিজ্ঞতায় প্রবেশ করেছিল।

‘উদয়ন’-এর একটি বড় অবদান ছিল সাহিত্য পরিচয়। গল্প, কবিতা, নাটক, উপন্যাসের অংশ, লেখক-পরিচিতি—এসবের মাধ্যমে আমরা রুশ ও সোভিয়েত সাহিত্যের বহু লেখকের সঙ্গে পরিচিত হয়েছি। তবে তাঁদের মধ্যে যে নামটি বিশেষভাবে মনে গেঁথে যায়, তিনি ম্যাক্সিম গোর্কি। আমাদের অনেকের কাছে গোর্কিকে প্রথম চিনিয়ে দিয়েছিল এই ধরনের সাময়িকী—বিশেষ করে ‘উদয়ন’। সেই পরিচয় ছিল কেবল একজন রুশ লেখকের সঙ্গে নয়; ছিল বঞ্চিত, শ্রমজীবী, পথের মানুষ, নিপীড়িত মানুষের সাহিত্যের সঙ্গে।

ম্যাক্সিম গোর্কির আসল নাম আলেক্সেই মাক্সিমোভিচ পেশকভ। তাঁর জন্ম ১৮৬৮ সালে রাশিয়ার নিঝনি নভগোরদে। খুব অল্প বয়সে তিনি জীবনের কঠোর বাস্তবতার মুখোমুখি হন। দারিদ্র্য, অনাথ শৈশব, শ্রম, অনিশ্চয়তা, পথে পথে ঘোরা—এসব ছিল তাঁর বেড়ে ওঠার অংশ। তিনি নানা রকম কাজ করেছেন—জাহাজে, দোকানে, কারখানায়, রান্নাঘরে, মুদ্রণকর্মে। এই কঠিন জীবন তাঁকে শুধু কষ্ট দেয়নি; তাঁকে মানুষ চেনার, সমাজ চেনার এবং বঞ্চনার ভাষা বোঝার ক্ষমতা দিয়েছে।

‘গোর্কি’ শব্দের অর্থই যেন তাঁর সাহিত্যিক পরিচয়ের চাবিকাঠি—তিক্ত, তেতো, কঠিন। তিনি জীবনের মিষ্টি নয়, তিক্ত সত্য লিখেছেন। তিনি অভিজাত জীবনের অলংকার নয়, সমাজের নিচুতলার মানুষ, শ্রমিক, ভবঘুরে, ভিখারি, প্রতিবাদী চরিত্র, স্বপ্নবাজ দরিদ্র এবং ভাঙা জীবনের মর্যাদা লিখেছেন। তাঁর ‘মা’, ‘নিম্নতল’, ‘শৈশব’, ‘মানুষের মধ্যে’, ‘আমার বিশ্ববিদ্যালয়’—এসব রচনা শুধু সাহিত্য নয়; এগুলো সমাজের অন্তঃসার, মানুষের সংগ্রাম এবং আত্মমর্যাদার দলিল।
গোর্কি গুরুত্বপূর্ণ কারণ তিনি বঞ্চিত মানুষকে করুণা করেননি; তাঁদের কণ্ঠ দিয়েছেন। তিনি দেখিয়েছেন, দরিদ্র মানুষ শুধু দুঃখের চরিত্র নয়; তারা চিন্তা করে, ভালোবাসে, প্রতিবাদ করে, স্বপ্ন দেখে এবং ইতিহাসের অংশ হয়ে ওঠে। তাঁর লেখায় শ্রমজীবী মানুষের জীবন সাহিত্যিক মর্যাদা পেয়েছে। এই দিকটি আমাদের মতো সমাজের পাঠকদের কাছে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। কারণ বাংলাদেশের গ্রাম, শ্রম, নদী, মাটি, দারিদ্র্য, সংগ্রাম এবং অসমতার অভিজ্ঞতার সঙ্গে গোর্কির জগতের এক ধরনের আত্মীয়তা তৈরি হতো।

‘উদয়ন’ বা ‘সোভিয়েত রিভিউ’-এর মাধ্যমে গোর্কিকে পড়া মানে শুধু একজন রুশ লেখককে পড়া নয়; বরং নিজের সমাজকে নতুন চোখে দেখা। আমরা বুঝতে শিখেছি, সাহিত্যের বিষয় শুধু রাজা-রানী, প্রেম বা অভিজাত জীবন নয়। সাহিত্য হতে পারে রুটি, শ্রম, ক্ষুধা, কারখানা, পথশিশু, মায়ের কান্না, মানুষের জেগে ওঠা এবং অন্যায় প্রতিরোধের ভাষা। এই শিক্ষা আমাদের পাঠক-চেতনায় গভীর প্রভাব ফেলেছিল।

এখানে সাংস্কৃতিক কূটনীতির সবচেয়ে কার্যকর দিকটি স্পষ্ট হয়। কোনো রাষ্ট্র তার রাজনীতি বা উন্নয়নের গল্প অন্য দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারে নানা মাধ্যমে। কিন্তু যখন সেই যোগাযোগ সাহিত্য, বিজ্ঞান, শিশু-কিশোর পাঠ, শিল্প, ছবি এবং মানবিক গল্পের মাধ্যমে হয়, তখন তা শুধু তথ্য দেয় না; অনুভূতির সম্পর্ক তৈরি করে। সোভিয়েত সাময়িকীগুলো সেই কাজটিই করেছিল। এগুলো পাঠককে বলেছিল, পৃথিবী বড়, সমাজ নানা রকম, মানুষের সংগ্রাম বৈশ্বিক, আর সাহিত্য সেই সংগ্রামের ভাষা হতে পারে।

তবে এই সাময়িকীগুলোর মূল্যায়নে ভারসাম্য দরকার। সোভিয়েত পত্রিকাগুলো নিঃসন্দেহে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ও আদর্শিক উদ্দেশ্যে প্রকাশিত হতো। সেখানে সোভিয়েত জীবনের ইতিবাচক দিকগুলো বেশি করে তুলে ধরা হতো; সমালোচনামূলক বাস্তবতা অনেক সময় অনুপস্থিত থাকত। কিন্তু একই সঙ্গে এটাও সত্য, এই পত্রিকাগুলো বাংলা ভাষায় বিশ্বসাহিত্য, বিজ্ঞানমনস্কতা, আন্তর্জাতিকতা, শ্রমজীবী মানুষের মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়ের ধারণা ছড়িয়ে দিতে ভূমিকা রেখেছিল। এগুলো পাঠককে কৌতূহলী করেছে, বইয়ের দিকে টেনেছে, বিশ্বরাজনীতি ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত করেছে।

আজকের প্রজন্ম হয়তো ‘উদয়ন’ বা ‘সোভিয়েত রিভিউ’-এর নাম খুব বেশি জানে না। কিন্তু আমাদের পাঠ-ইতিহাসে এগুলোর একটি বিশেষ জায়গা আছে। গ্রামবাংলার পাঠকের হাতে যখন রঙিন গ্লোসি কাগজে ছাপা সোভিয়েত সাময়িকী পৌঁছাত, তখন সেটি শুধু পত্রিকা ছিল না; ছিল এক ধরনের বৌদ্ধিক ভ্রমণ। সেই ভ্রমণ আমাদের মস্কো, লেনিনগ্রাদ, সাইবেরিয়া, মহাকাশ গবেষণা, শিল্পকারখানা, শিশু-কিশোর সাহিত্য, নারী-অগ্রগতি এবং ম্যাক্সিম গোর্কির মতো লেখকদের কাছে নিয়ে গেছে।

আজ আমরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল যুগে বাস করি। তথ্যের অভাব নেই; বরং অতিরিক্ত তথ্যের ভিড়ে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন। ফেসবুক, ইউটিউব, রিলস, শর্ট ভিডিও, দ্রুত মন্তব্য এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়ার সংস্কৃতি আমাদের পাঠাভ্যাস বদলে দিয়েছে। আমরা অনেক কিছু দেখি, কিন্তু কম মনে রাখি; অনেক তথ্য পাই, কিন্তু কম ভাবি; দ্রুত স্ক্রল করি, কিন্তু ধীরে পড়ি না। এই বাস্তবতায় ‘উদয়ন’ বা ‘সোভিয়েত রিভিউ’-এর স্মৃতি আমাদের অন্য এক পাঠসংস্কৃতির কথা মনে করিয়ে দেয়।

সেই সাময়িকীগুলো আমাদের ধীরে পড়তে শিখিয়েছে। একটি নিবন্ধ শেষ করা, একটি গল্পের চরিত্রের সঙ্গে হাঁটা, একটি ছবি দেখে দূরদেশ কল্পনা করা, একটি লেখককে বারবার পড়া—এসব ছিল মনোযোগ ও কল্পনাশক্তির অনুশীলন। আজকের ডিজিটাল যুগেও দরকার এমন কনটেন্ট, যা শুধু চোখে পড়ে না, মনে থাকে; শুধু স্ক্রল করায় না, ভাবায়; শুধু তথ্য দেয় না, পাঠক তৈরি করে।

ম্যাক্সিম গোর্কির জীবনও আমাদের একই শিক্ষা দেয়। একজন ভবঘুরে কিশোর, দারিদ্র্যে বেড়ে ওঠা এক শ্রমজীবী মানুষ কীভাবে সাহিত্য দিয়ে বঞ্চিত মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠেন—গোর্কির জীবন সেই সম্ভাবনার দৃষ্টান্ত। তিনি দেখিয়েছেন, সাহিত্য কেবল সৌন্দর্যের সাধনা নয়; এটি মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামও।

আমাদের প্রজন্মের অনেকেই গোর্কিকে প্রথম চিনেছে ‘উদয়ন’-এর পাতা থেকে। সেই পরিচয় ছিল সাদা-কালো কোনো স্মৃতি নয়; ছিল রঙিন, জীবন্ত, বৌদ্ধিক এবং মানবিক। আজ ফিরে তাকালে মনে হয়, ফুলবাগিচার মতো একটি গ্রামে বসে যে কিশোর বা তরুণ ‘উদয়ন’ হাতে পেত, সে শুধু একটি ম্যাগাজিন পেত না—সে পেত বিশ্বসাহিত্যের দরজা, মানুষের সংগ্রামের ইতিহাস এবং চিন্তার নতুন দিগন্ত।

সেই স্মৃতি আমাদের মনে করিয়ে দেয়: পাঠ কখনো ছোট নয়, একটি পত্রিকাও কখনো সামান্য নয়। কখনো কখনো একটি ম্যাগাজিনই একজন পাঠককে পৃথিবীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়। আর সেই পরিচয়ের ভেতর দিয়ে ম্যাক্সিম গোর্কির মতো লেখক হয়ে ওঠেন আমাদেরও সাহিত্যিক আত্মীয়—বঞ্চিত মানুষের কণ্ঠস্বর, সংগ্রামী মানবতার লেখক।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দ্রুততার এই যুগে তাই ‘উদয়ন’ ও ‘সোভিয়েত রিভিউ’-এর স্মৃতি আমাদের ধীর পাঠ, গভীর চিন্তা এবং মানবিক সাহিত্যবোধে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানায়। সাংস্কৃতিক কূটনীতি তখন কাগজের পাতায় গ্রামে পৌঁছেছিল; আজ ডিজিটাল পরিসরে তা আরও দ্রুত পৌঁছাতে পারে।

কিন্তু প্রশ্ন একই থাকে—আমরা কি কেবল তথ্য ছড়াব, নাকি পাঠক তৈরি করব? আমরা কি শুধু ছবি দেখাব, নাকি চিন্তার দরজা খুলব? ‘উদয়ন’ ও গোর্কির স্মৃতি আমাদের শেখায়, সত্যিকারের সাংস্কৃতিক যোগাযোগ তখনই সফল হয়, যখন তা মানুষের মন, মেধা ও মানবিকতার ভেতরে আলো জ্বালাতে পারে।
——————–
এ এইচ এম বজলুর রহমান
ডিজিটাল গণতন্ত্র, তথ্যের অখণ্ডতা ও গণমাধ্যম উন্নয়ন নীতিবিষয়ক বিশেষজ্ঞ
দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বিষয়ক অ্যাম্বাসেডর

;