ই-পেপার | শুক্রবার , ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
×
;

আদমদীঘি থানার পুলিশ কনেষ্টবল রফিকুল ইসলামকে অবসরে যাবার প্রাক্কালে রাজকীয় বিদায়

এম আব্দুর রাজ্জাক,বগুড়া থেকে:  বগুড়ার জেলার আদমদীঘি থানায় কর্মরত পুলিশ কনেষ্টবল রফিকুল ইসলাম খন্দকারের চাকুরীতে অবসর জনিত কারনে তাকে রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। শনিবার (৮ আগষ্ট ) দুপুরে আদমদীঘি থানা থেকে পুলিশের সরকারী গাড়ী সুসজ্জিত করে তাকে ওই গাড়ীতে বসিয়ে থানা হতে তার নিজ বাড়ি দুপচাঁচিয়া উপজেলার উনাহাত সিংড়া গ্রামে পৌঁছে দেয়া হয়। এর আগে তাকে আদমদীঘি থানা ওসি’র কার্যালয়ে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে থানা ওসি (তদন্ত ) মো. শহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় এবং আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি ) মোঃকামরুজ্জামান মিয়ার সভাপতিত্বে সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথির হিসাবে বক্তব্য রাখেন, আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া থানার সার্কেল অফিসার মো.আসিফ হোসেন। এ অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, এস আই আব্দুর রহমান, এএসআই হাবিবুর রহমান হাবিব, কনেষ্টবল আনোয়ার হোসেন ও বিদায়ী কনেষ্টবল রফিকুল ইসলাম খন্দকার। এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আদমদীঘি থানার এস আই /এ এস আই এবং কনস্টবেলগণ। এ অনুষ্ঠানে বিদায়ী কনস্টেবল রফিকুল ইসলাম খন্দকার কে সম্মাননা ক্রেস্ট ও উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়। তথ্যসূত্রে জানা যায় যে, বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া উপজেলার উনাহাত সিংড়া গ্রামের মৃত মোবারক হোসেন খন্দকারের ছেলে কনেষ্টবল রফিকুল ইসলামের জন্ম ১৬ জুন ১৯৬৮ সালে। তিনি ১৯৮৮ সালে পুলিশের কনেষ্টবল হিসাবে চাকুরীতে যোগদান করেন এবং রাজশাহী সারদায় পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে ট্রেনিং শেষ করে এরপর ঢাকা ডিএমপি রাজারবাগে পোস্টিং হয়, এর পর পার্বত্য জেলা বান্দরবান,টাঙ্গাইল মহেরা ও রাজশাহী, নওগাঁ, দিনাজপুর, রংপুর জেলা নাটোর জেলা চাকরি করেন। তিনি দীর্ঘ ৩৯ বছর ৮ মাস থানাসহ বিভিন্ন পুলিশ ক্যাম্পে সুনামের সাথে চাকুরী করার পর ১ বছর পূর্বে তিনি আদমদীঘি থানায় যোগদান করেন। এখানেও সুনামের সাথে কর্তব্য পালন শেষে ২০২৬ সালের ১ আগষ্ট তিনি চাকুরী থেকে অবসর গ্রহন করেন। শনিবার তাকে আদমদীঘি থানায় অবসর জনিত বিদায় সংবর্ধনা দেয়ার পর গাড়ীতে করে রাজকীয় বিদায় দেয়া হয়েছে। কনস্টেবল মো. রফিকুল ইসলাম খন্দকারের বর্তমান তার এক স্ত্রী রয়েছেন এবং সে ২ পুত্র সন্তানের জনক।

;