রিফাত রহমানঃ
চুয়াডাঙ্গায় নিরাপদ ও টেকসই সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা বাস্তবায়নে কাজ করছে এলজিইডির উইকেয়ার প্রকল্প। প্রকল্পটির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া হতদরিদ্র, বিধবা, তালাকপ্রাপ্ত শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নসহ আর্থসামাজিক উন্নয়ন ঘটছে। দেশের পশ্চিমাঞ্চলের একটি আঞ্চলিক পরিবহন করিডর উন্নয়নের মাধ্যমে কার্যকর, নিরাপদ এবং টেকসই যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা জেলার চারটি উপজেলায় চারটি প্যাকেজের মাধ্যমে ১২০ দশমিক ২৮ কিলোমিটার সড়কে উন্নয়ন প্রক্রিয়া চলছে।
চুয়াডাঙ্গা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ সানা জানান, বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে উইকেয়ার প্রকল্পটির মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু হয়। এরই মধ্যে সদর উপজেলায় ছয়টি রাস্তার ২৫ দশমিক ২৩ কিলোমিটার, আলমডাঙ্গা উপজেলায় চারটি রাস্তা ৩৩ দশমিক ৫৫ কিলোমিটার, দামুড়হুদা উপজেলায় পাঁচটি রাস্তা ৪৪ দশমিক ৭৬ কিলোমিটার এবং জীবননগর উপজেলায় দুটি রাস্তা ১৬ দশমিক ৭৪ কিলোমিটার কাজ হবে।
তিনি আরো বলেন, প্রকল্পটি সড়ক ও বাজার উন্নয়নে চুক্তিবদ্ধ শ্রমিকদের আয় বাড়ানো কার্যক্রমসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়ার মাধ্যমে তাদের উইকেয়ার প্রকল্পে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। এলজিইডি চুয়াডাঙ্গা জেলায় ২১১ নারী ও পাঁচজন পুরুষ সদস্যের সমন্বয়ে চার উপজেলায় ২৪টি প্যাকেজে ১৭৩ দশমিক ৭ কিলোমিটার পাকা সড়ক এবং নয়টি গ্রোথ সেন্টার রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম চালাচ্ছে। এ প্রকল্পের চুক্তিবদ্ধ শ্রমিকদের পারিশ্রমিকের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ কোটি ৭৩ লাখ ৪ হাজার টাকা। এ ব্যয়ের আওতায় চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় ৪০ দশমিক ৭৪ কিলোমিটার পাকা সড়ক রক্ষণাবেক্ষণে ৪০ জন শ্রমিক, আলমডাঙ্গা উপজেলায় ৫২ দশমিক ৩০ কিলোমিটার পাকা রাস্তার জন্য ৪৪, দামুড়হুদা উপজেলায় ৫৯ দশমিক ৮৪ কিলোমিটার পাকা সড়কের জন্য ৬৩ ও জীবননগর উপজেলায় ২০ দশমিক ১৯ কিলোমিটার পাকা সড়ক রক্ষণাবেক্ষণে ২৪ এবং বাজার উন্নয়নে ৪৫ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছেন।